একসঙ্গে তিন তিনটি আলাদা জেলায় সরকারি দায়িত্ব পালন করছিলেন এক চুক্তিভিত্তিক চিকিৎসক। অবিশ্বাস্য এই জালিয়াতির ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের শাহদোল জেলায় মাত্র ৫ হাজার রুপি ঘুষ নিতে গিয়ে ওই চিকিৎসক হাতেনাতে গ্রেফতার হওয়ার পর। এই ঘটনায় রাজ্যটির স্বাস্থ্য বিভাগের হাজিরা ও বেতন বণ্টন প্রক্রিয়ার বড় ধরনের গলদ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।
গত ৩ জুলাই শাহদোল জেলার উফরি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৫ হাজার রুপি ঘুষ নেওয়ার সময় চুক্তিভিত্তিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মহেশ চান্দ শর্মাকে গ্রেফতার করে রেওয়া লোকায়ুক্তের একটি দল। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত করতে গিয়েই কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসে।
কর্মকর্তারা জানতে পারেন, ডা. শর্মার নাম কেবল শাহদোলেই নয়, বরং খারগোন এবং শেওপুর জেলাতেও চুক্তিভিত্তিক মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে নথিবদ্ধ রয়েছে। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি খারগোন জেলার সেগাঁও ব্লকের কেলি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও কর্মরত আছেন।
মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন খারগোনের প্রধান চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (সিএমএইচও) ডা. ডি এস চৌহান। তিনি সেগাঁওয়ের ব্লক মেডিক্যাল অফিসারকে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ডা. শর্মার নিয়োগের কাগজপত্র, হাজিরা খাতা, বেতনের রসিদ, ছুটির রেকর্ড ও যোগদানপত্রসহ সব নথিপত্র তলব করেছেন।
ডা. চৌহান স্বীকার করেন, এই জালিয়াতির পরও যদি তাকে নিয়মিত বেতন দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা পুরো ব্যবস্থার একটি চরম ব্যর্থতা। এই বিষয়ে ন্যাশনাল হেলথ মিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কাছে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি। কোনও ধরনের সতর্কতা ছাড়াই কীভাবে একজন ডাক্তার একই সঙ্গে তিন জেলায় বহাল রইলেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বন্যার পানিতে ভেসে এলো ৯০০ সাপ, কামড়ে নারীর মৃত্যু
মাঝ আকাশে বিমানে ছাত্রীকে রেখে প্রশিক্ষকের ঝাঁপ, তারপর যা ঘটলো
কোন বিরল রোগে মারা গেলেন আফগান ক্রিকেটার শাপুর জাদরান






