তুরস্ক ছাড়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে প্লেন বদলাতে বাধ্য করা ইরানি হত্যাচক্রান্তের তথ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন সিআইএর বিশ্লেষকরা। ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই হুমকির কথা জানানো হলেও তা যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য মনে করেননি সিআইএর বিশ্লেষকরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।
বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল ইরানি হত্যাচক্রান্তের হুমকির বিষয়ে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিকে (সিআইএ) জানিয়েছিল। তবে সিআইএর বিশ্লেষকরা ওই তথ্যকে যথেষ্ট জোরালো মনে করেননি।
ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে কথা বলা এক মার্কিন কর্মকর্তা ওই গোয়েন্দা তথ্যকে ‘ইসরায়েল থেকে পাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি নয় এবং কম আস্থার’ বলে বর্ণনা করেছেন।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, সিক্রেট সার্ভিসের সঙ্গে এই প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তিনটি প্রায়-বিপজ্জনক ঘটনা ঘটেছে। তাই তারা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। ওই কর্মকর্তা বলেন, তারা যা করার প্রয়োজন ছিল, তাই করেছে।
এদিকে এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার একটি বৃহত্তর ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিছু মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, এসব তথ্য জানানোর উদ্দেশ্য শুধু তথ্য দেওয়া নয়, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করাও।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস সরাসরি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নিজেই জানিয়েছেন, তার জীবনের ওপর ইরানসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু হুমকি এসেছে এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের মূল দায়িত্বই প্রেসিডেন্টকে সুরক্ষা দেওয়া, যা তারা নিশ্চিত করেছে।

গোপন বিমানে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন কারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য
ইরানি হামলার হুমকি: এয়ার ফোর্স ওয়ানে নয়, ছোট বিমানে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প







