সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ফের বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরনগরী আল-মোখা এলাকায় সৌদি-সমর্থিত বাহিনী ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের যুদ্ধজাহাজেও বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়।
ইয়াহিয়া সারির দাবি, হামলাগুলো ছিল ‘সুনির্দিষ্ট’। এতে কয়েকটি নৌযান ও অস্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য হতাহত হয়েছেন।
ইয়েমেনের এই সামরিক মুখপাত্র আরও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনও সামরিক সমাবেশস্থল যেখানেই থাকুক, সেখানেই ভবিষ্যতে হামলা চালিয়ে যাবে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি-সমর্থিত ভাড়াটে যোদ্ধাদের অবস্থান, সমাবেশস্থল ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী বড় পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযান চালানোর দাবি করেছে।
গত ২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করার পর ইয়েমেনের পক্ষ থেকে সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজ লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়। ইয়েমেন বলেছে, সৌদি আরবের ১২ বছর ধরে চলা অবরোধের জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সামরিক, রাজনৈতিক ও সরবরাহগত সহায়তায় ইয়েমেনে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালায়। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই যুদ্ধে কয়েক হাজার ইয়েমেনি নিহত হন। তবে সৌদি আরব রিয়াদ-সমর্থিত একটি সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার যে লক্ষ্য নিয়েছিল, তা অর্জন করতে পারেনি। তবে হামলা ও হতাহতের বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।








