শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই)ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আমাদের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হলে কারিগরী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও টিভিইটির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার একটি হোটেলে ‘কিউএস (সাইমন্ডস কুয়াকোয়ারেল্লি) বাংলাদেশ ফোরামে’ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ‘বেঞ্চমার্ক বাংলাদেশ: বৈশ্বিক মানদণ্ডে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা’। কনফারেন্সে বাংলাদেশের ৯০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের কিউএস রেটিংয়ের অবস্থান আরও উন্নত করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণায় জোর দিতে হবে। এ সময় ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন’ ওপরেও গুরুত্ব দেওয়ারও পরামর্শ দেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কোনও অভাব নেই। এ দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খুব ভালো ফলাফল করছে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রেও বিশাল সাফল্য দেখিয়েছে। ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইনের’ মাধ্যমে তাদের দেশে এনে আমাদের সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়াও অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন, কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।









