রাজনীতি থেকে ‘অবসর’, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে মির্জা ফখরুল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬:০৬আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৭

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২০ আগস্ট। ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো একাধিক প্রার্থী নিয়ে সংসদে ভোটের মাধ্যমে হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। একাধিক প্রার্থী থাকায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এবার আবারও সংসদে ভোটাভুটির মুখোমুখি হচ্ছেন প্রার্থীরা।

রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে আছেন মির্জা ফখরুল। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের আনুষ্ঠানিকতার।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার দ্বারপ্রান্তে মির্জা ফখরুল

সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সাধারণত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা দলের প্রার্থীই নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হওয়া অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।

নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বিএনপিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর দলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রায় ১৫ বছর বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব সামলেছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর তাকে মহাসচিবের পদ ছাড়তে হয়েছে। গত ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন এই বর্ষীয়ান নেতা।

আসন্ন কাউন্সিলে মহাসচিব পদে না থাকা এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসরের কথা আগেই জানিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। এবার রাষ্ট্রপতি পদে তার যাত্রা রাজনৈতিক জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল নিজ নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের আগে রাজনীতি থেকে অবসর ভাবনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি এক জনসভায় তিনি বলেন, রাজনীতি থেকে তিনি অবসর নিতে চান। দেশে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কোনও সংস্কৃতি নেই উল্লেখ করে তিনি সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান বলেও জানান।

এরপর গত এপ্রিলে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও অবসরের কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি জানান, আগামী কাউন্সিলে আর মহাসচিব পদে থাকতে চান না এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নিতে চান।

এ বছরই বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনাও রয়েছে।

তফসিল থেকে ভোট, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু

গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনি কর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা।

১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, অলি আহমেদের দুটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে একটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে মির্জা ফখরুলের একটি মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়।

তফসিল অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা কী

সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

একই অনুচ্ছেদের (৪) দফা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি ৩৫ বছরের কম বয়সী হন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হন অথবা সংবিধানের অধীনে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন।

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থিতার যোগ্যতা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং অযোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩৫ বছর হতে হবে।

অর্থাৎ সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তগুলো রাষ্ট্রপতি পদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যেভাবে হয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে এই নির্বাচন পরিচালনা করেন। এ জন্য জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নির্বাচনি কর্তা সভাপতিত্ব করেন।

সংসদের অধিবেশন চলাকালে নির্বাচন প্রয়োজন হলে কমিশন ভোটগ্রহণের অন্তত সাত দিন আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করে। সংসদ অধিবেশন না থাকলে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সংসদের বৈঠক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আহ্বান করা হয়।

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যের প্রস্তাবক এবং একজন সংসদ সদস্যের সমর্থন থাকতে হয়। মনোনীত ব্যক্তিকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সম্মতিসূচক বিবৃতিও দিতে হয়।

এই নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যরা। কমিশন একটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করে।

বৈধ একাধিক প্রার্থী থাকলে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলে নির্ধারিত দিনে সংসদের বৈঠকে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনা প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

একাধিক প্রার্থী সমান সর্বোচ্চ ভোট পেলে তাদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হয়। ফলাফল ঘোষণার ক্ষেত্রে নির্বাচনি কর্তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার কারা

সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে সংসদ সদস্যরাই এই নির্বাচনের ভোটার।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে বর্তমানে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। আইন অনুযায়ী তাদের নাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকায় রয়েছে। আদালতের নির্দেশনায় একজন নির্বাচিত প্রার্থী অযোগ্য হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বর্তমানে কোনও ভোটার নেই।

সংসদের সাধারণ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য ২১১ জন, জামায়াতের ৬৮ জন, এনসিপির ৬ জন, অন্যান্য দলের ৭ জন এবং স্বতন্ত্র ৭ জন। সংরক্ষিত আসনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র একজন সদস্য রয়েছেন।

সব মিলিয়ে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

১৯৯১ সালে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আবারও সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু হয়। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ওই বছরই একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদে ভোটগ্রহণ করতে হয়েছিল।

১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখন ক্ষমতাসীন দল ছিল বিএনপি এবং প্রধান বিরোধী দল ছিল আওয়ামী লীগ।

সেবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী। আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট।

এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আর ভোটাভুটির প্রয়োজন হয়নি। একক প্রার্থী থাকায় পরবর্তী রাষ্ট্রপতিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ফলে ১৯৯১ সালের নির্বাচনই হয়ে আছে দেশের সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো একাধিক প্রার্থী নিয়ে সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

পরাজয় জেনেও কেন অংশ নিচ্ছে জামায়াত?

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। এরপরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গত ১০ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনি কর্তা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের কার্যালয় থেকে অলি আহমেদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এখানে জয়-পরাজয় বিষয় নয়। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সামনে নিয়ে আসছি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। এই পদেও যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়ে যায়, তাহলে গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। গণতান্ত্রিক ধারাকে ফিরিয়ে আনা এবং সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা প্রার্থী দিয়েছেন।

অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে জয়ের সম্ভাবনা কম থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাকে গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবেই দেখছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

/এম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ‘ভেরি ট্রান্সপারেন্ট মেথডে’, কারও আপত্তি থাকার কথা নয়: সিইসি
নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন শুক্রবার সন্ধ্যায়
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে পৃথক আরেকটি রিট খারিজ
সর্বশেষ খবর
৮ বছরের শিশুর পোশাক নিয়ে আপত্তি, পুনে কেল্লায় দুই ঘণ্টা ধরে পর্যটকদের পেটালো স্থানীয়রা
৮ বছরের শিশুর পোশাক নিয়ে আপত্তি, পুনে কেল্লায় দুই ঘণ্টা ধরে পর্যটকদের পেটালো স্থানীয়রা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ‘ভেরি ট্রান্সপারেন্ট মেথডে’, কারও আপত্তি থাকার কথা নয়: সিইসি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ‘ভেরি ট্রান্সপারেন্ট মেথডে’, কারও আপত্তি থাকার কথা নয়: সিইসি
একাত্তরের ‘ত্রুটিপূর্ণ’ মামলায় তোফাজ্জলের অব্যাহতি নিয়ে আদেশ ৩১ আগস্ট
ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘একজনেরও চাকরি থাকার কথা নয়’একাত্তরের ‘ত্রুটিপূর্ণ’ মামলায় তোফাজ্জলের অব্যাহতি নিয়ে আদেশ ৩১ আগস্ট
শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান
সর্বাধিক পঠিত
নাটোরের ডিসি প্রত্যাহার, এক উপজেলার ইউএনও বদলি
নাটোরের ডিসি প্রত্যাহার, এক উপজেলার ইউএনও বদলি
আস্ত খাসি না দেওয়ায় বর বললেন ‘তুই বিয়ে কর’, বিয়ে না দিয়ে বের করে দিলেন কনের বাবা
আস্ত খাসি না দেওয়ায় বর বললেন ‘তুই বিয়ে কর’, বিয়ে না দিয়ে বের করে দিলেন কনের বাবা
আরেক কনেকে বিয়ে করলেন সেই প্রবাসী, পাতে পেলেন আস্ত খাসি
আরেক কনেকে বিয়ে করলেন সেই প্রবাসী, পাতে পেলেন আস্ত খাসি
ছুটির দিনে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ধরে পিটিয়ে মেরে ফেললো একদল লোক
ছুটির দিনে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ধরে পিটিয়ে মেরে ফেললো একদল লোক
মহাসড়কে এআই ক্যামেরার অ্যাকশন শুরু, ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা
মহাসড়কে এআই ক্যামেরার অ্যাকশন শুরু, ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা