ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হয়েও নয়াপল্টনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়েনি রিজভীর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৫ আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৫

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব থাকাকালীন বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়কে নিজের আপন ঠিকানা বানিয়েছিলেন রুহুল কবির রিজভী। সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ার পরও এ কার্যালয়ে তার যাতায়াত কমেনি। এক বিন্দুও বাড়েনি দূরত্ব।

সর্বশেষ রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় তিনি তার দফতরে বসেন। এর আগে সকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি সব সময়ই আসা-যাওয়া করেন।

বিগত দিনে পুলিশের হামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতনকে উপেক্ষা করেই নয়াপল্টন কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেছেন রিজভী। হরতাল-অবরোধের সময় বেশিরভাগ সময়ই ছিলেন পুলিশবেষ্টিত। প্রায়সময় নয়াপল্টনকেই বানিয়েছেন ঘরবাড়ি। গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হয়েও এই কার্যালয়ের সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়েনি। 

আবার গত ২০ আগস্ট বিএনপির মহাসচিব থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় দল তার ওপরই ভরসা রেখেছে। একইদিন তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দিয়েছে দলীয় হাইকমান্ড। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দায়িত্বের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার পদে থেকেও তিনি নয়াপল্টনের প্রতি মায়া ছাড়তে পারেননি। তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, এ কার্যালয় তার একটি ভালোবাসার ঠিকানা। তাই সুযোগ পেলেই তিনি সেখানে চলে আসেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী রুহুল কবির রিজভীর রাজনীতির হাতেখড়ি হয় ছাত্রজীবনেই। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এই নেতা। রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। পরে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে। এ সময়ে তাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়।

অল্প দিনেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক এবং পরে সাধারণ সম্পাদক হন। তবে তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অধ্যায় আসে ১৯৮৯ সালে। সেবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু নির্বাচনে তিনি সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। তখন এরশাদবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দেশ। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হয়ে উঠেছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেই সময়ের রাজপথের সক্রিয় ছাত্রনেতা রিজভীর রাকসুর ভিপি নির্বাচিত হওয়া ছিল জাতীয় রাজনীতিতে তার ভবিষ্যৎ উত্থানের ভিত্তি।

/এমকে/আইএএম/
সম্পর্কিত
ইশরাকের কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
রাজশাহীতে জনসভার মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী, অপেক্ষমাণ মানুষের উচ্ছ্বাস
একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি জনগণকে শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না: অমিত
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে ছুটির হাওয়া, সড়ক নেই চিরচেনা ব্যস্ততা
রাজধানীতে ছুটির হাওয়া, সড়ক নেই চিরচেনা ব্যস্ততা
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান
খুলনায় যুবদল ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ
খুলনায় যুবদল ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ
শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়েছিল হাজার হাজার পোকার লার্ভা
শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়েছিল হাজার হাজার পোকার লার্ভা
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
ওআইসির কাশ্মীর প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
ওআইসির কাশ্মীর প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত