বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মহানবী (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায় ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তার দেখানো পথে চললে একজন সত্যিকার অর্থে আলোকিত মানুষ হওয়া যাবে। কেউ বিপথগামী হবে না।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ।
রিজভী বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অবসান হয়েছে। সরকার সবক্ষেত্রেই জবাবদিহি নিশ্চিত করেছে৷ গণমাধ্যমের সামনে ও সংসদে জবাবদিহি করছেন মন্ত্রীরা।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে বলবো না, তবে আরও উন্নতি দরকার। আমরা আশা করি আপনার হাত দিয়ে আরও শান্তিময় পরিবেশ তৈরি হবে। দেশে কোনও সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী থাকবে না, মানুষ সেটি নিশ্চিত হতে চায়।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, “রংপুরে শিক্ষক পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা বেদনাবিধুর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তবে পুলিশ খুনিদের ধরতে পেরেছে, এটি শুকরিয়ার বিষয়। খুনিদের আসল আস্তানা কোথায় তা খুঁজে বের করতে হবে।”
সরকার নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করতে চেষ্টা করছে। কোনও অপরাধীকে ছাড় দিচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম ও বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফুসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

কাজী নজরুলের মতো জিয়াউর রহমানেরও কাব্যিক মন ছিল: রিজভী







