দক্ষিণ আফ্রিকায় একের পর এক ঘটছে হত্যাকাণ্ড। গত দুই মাসের মধ্যে নবম নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলে একের পর এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ডন পার্ক এলাকায় সড়কের পাশে চাদরে মোড়ানো অবস্থায় নবম এক নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি অর্ধনগ্ন ছিল। তার পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। জুলাই থেকে জোহানেসবার্গের বড় নগর এলাকা একুরহুলেনির বিভিন্ন স্থান থেকে আরও আট নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তবে সব মৃত্যুর মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে কিনা বা কোনও সিরিয়াল কিলার এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। প্রথম মরদেহটি ১৫ জুলাই কেম্পটন পার্কে পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় দু’দিন পর এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হলেও মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।
এদিকে এসব ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা ঘটনাগুলোর যোগসূত্র খুঁজছেন। একই সঙ্গে একজন ব্যক্তিকে ‘পারসন অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তথ্য দিয়ে গ্রেফতারে সহায়তার জন্য ৪ লাখ রেন্ড পুরস্কার ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজ স্বজনদের পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে পরিবারগুলোর প্রতি।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশমন্ত্রী ফিরোজ কাচালিয়া এ বিষয়ে কোনও অনুমান বা জল্পনা-কল্পনা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তকারীরা ঘটনাগুলো একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বতন্ত্র বলেই মনে করছেন। জাতিসংঘের নারী সংস্থা ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকায় নারীদের হত্যার হার বৈশ্বিক গড়ের প্রায় পাঁচ গুণ।

হরমুজে মার্কিন জাহাজে ইরানের হামলা, আহত কয়েকজন






