মধ্যপ্রাচ্য যেন পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান না হয়: শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:৫০ আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:৫০

মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলকে যেন কোনও বড় শক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও দ্বন্দ্বের আখড়া বানিয়ে তোলা না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সোমবার (২ নভেম্বর) ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল-সাঈদের সাথে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় চীন মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরব দেশগুলোর সাথে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

ওমানের সুলতানের সাথে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্ব বর্তমানে এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শি জিনপিং বৈঠকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য উপসাগরীয় অঞ্চল কোনোমতেই বড় শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের ক্ষেত্র হওয়া উচিত নয়। এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টা ও সুরক্ষা প্রয়োজন’।

যুদ্ধ বন্ধে চীন সবসময় বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের নিরাপত্তাজনিত জটিলতা নিরসনে চীন তাদের ‘প্রজ্ঞা ও সমাধান’ দিতে প্রস্তুত। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) ভুক্ত রাষ্ট্রসহ আরব দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা অর্জনে একসঙ্গে কাজ করতে চীন ইচ্ছুক।

বৈঠকের পর প্রকাশিত ২০ দফার এক যৌথ বিবৃতিতে উভয় পক্ষই হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক ও নিরাপদ নৌচলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করে। এছাড়া আমেরিকা ও ইরানকে যেকোনও সামরিক সংঘাতের পথ ছেড়ে শান্তিপূর্ণ উপায় বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে দ্বন্দ্ব নিরসনে গত জুনে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে ফিরে গিয়ে পুনরায় সংলাপ শুরুর তাগিদ দেওয়া হয় বিবৃতিতে।

প্রসঙ্গত মধ্যপ্রাচ্যে চীন কূটনৈতিকভাবে কিছুটা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও মার্কিন-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে বর্তমানে তারা তৎপরতা বাড়িয়েছে। এই সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও শিপিং খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সূত্র: রয়টার্স, চ্যানেল নিউজ এশিয়া

/এএস/ 
সম্পর্কিত
ইরান যুদ্ধের ‘বলির পাঁঠা’ খুঁজছেন ট্রাম্প, কপাল পুড়বে কার?
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে ‘অবৈধ’: জামায়াত প্রধান
দিয়া মির্জা ‘সরকারবিরোধী’, দাবি মুম্বাইয়ের মেয়রের
সর্বশেষ খবর
ইরান যুদ্ধের ‘বলির পাঁঠা’ খুঁজছেন ট্রাম্প, কপাল পুড়বে কার?
ইরান যুদ্ধের ‘বলির পাঁঠা’ খুঁজছেন ট্রাম্প, কপাল পুড়বে কার?
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের নামে নাশকতা: গ্রেফতার ২৬ জন কারাগারে 
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের নামে নাশকতা: গ্রেফতার ২৬ জন কারাগারে 
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে ‘অবৈধ’: জামায়াত প্রধান
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে ‘অবৈধ’: জামায়াত প্রধান
আবাসিক মাদ্রাসায় দুই ছাত্রকে ধারাবাহিক ধর্ষণ, গ্রেফতারের পর স্বীকার করলেন শিক্ষক
আবাসিক মাদ্রাসায় দুই ছাত্রকে ধারাবাহিক ধর্ষণ, গ্রেফতারের পর স্বীকার করলেন শিক্ষক
সর্বাধিক পঠিত
সঙ্গী খুঁজতে অবিবাহিতদের বিনামূল্যে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ
সঙ্গী খুঁজতে অবিবাহিতদের বিনামূল্যে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ
এইচএসসি পাস করলো জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, সমালোচনার মুখে কমিটি বিলুপ্ত
এইচএসসি পাস করলো জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, সমালোচনার মুখে কমিটি বিলুপ্ত
সিএনজি অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং
সিএনজি অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও নাজমুল ইসলাম
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও নাজমুল ইসলাম
এআই দিয়ে জীবিত দেখিয়ে ৪ লাখ মুক্তিপণ আদায়: সেই রাকিব পেলেন জিপিএ-৫, বাড়িতে কুলখানি
এআই দিয়ে জীবিত দেখিয়ে ৪ লাখ মুক্তিপণ আদায়: সেই রাকিব পেলেন জিপিএ-৫, বাড়িতে কুলখানি