মায়াবী গাছের সুড়ঙ্গ ‘ডার্ক হেজেস’, যেন অন্য এক জগতে যাওয়ার পথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:৩০ আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:৩০

কোনও কোনও রাস্তা এক শহর থেকে অন্য শহরে নিয়ে যায়। আবার এমন কিছু রাস্তা আছে, যেগুলো দেখলে মনে হয় যেন পৌঁছে দেবে অন্য কোনও জগতে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের ‘ডার্ক হেজেস’ তেমনই এক রহস্যময় বৃক্ষসড়ক। রাস্তার দুই পাশের সারি সারি বিচগাছের ডালপালা পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে মাথার ওপর তৈরি করেছে অদ্ভুত এক প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ। শত শত বছর ধরে পথচারীদের বিস্মিত করে আসছে এই সড়ক।

ডার্ক হেজেসের এই অদ্ভুত সৌন্দর্য প্রকৃতির আকস্মিক সৃষ্টি নয়। প্রায় ২৫০ বছর আগে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করার উদ্দেশ্যে রাস্তার দুই পাশে বিচগাছগুলো রোপণ করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা যে সফল হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম এই বৃক্ষসড়ক।

‘ডার্ক হেজেস’ অনেকের কাছে পরিচিত মনে হওয়ার কারণও রয়েছে। জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’-এ গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের পটভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল এই সড়ক। এরপর থেকেই প্রিয় চরিত্রদের হেঁটে যাওয়া পথটি দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন সিরিজটির ভক্তরা।

কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, কেন এই সড়ক মানুষের কল্পনাকে এতটা আলোড়িত করে। গাছগুলোর ডালপালা বাঁক নিয়ে একে অপরের দিকে এগিয়ে গেছে। অনেকটা যেন রাস্তা দিয়ে যাওয়া মানুষের দিকে হাত বাড়িয়ে ডাকছে তারা।

সকালে স্বপ্নময়, সন্ধ্যায় রহস্যময়

দিনের বিভিন্ন সময়ে ডার্ক হেজেসের রূপও বদলে যায়। সূর্যোদয়ের সময় গাছের ডালপালার ফাঁক গলে সোনালি আলো এসে পড়ে সড়কে। পুরো বৃক্ষসুড়ক তখন স্বপ্নের মতো আলোয় ঝলমল করে। অন্যদিকে সূর্যাস্তের পর ধীরে ধীরে ছায়া ঘনিয়ে আসে। বদলে যায় পরিবেশ। তখন সড়কটি হয়ে ওঠে আরও গম্ভীর, রহস্যময় ও কিছুটা ভৌতিক আবহের।

ভোর কিংবা সন্ধ্যা- যে সময়ই কেউ এখানে আসুন না কেন, ডার্ক হেজেস মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর ও অন্য জগতের মতো দেখতে স্থানগুলো অনেক সময় আমাদের চোখের সামনেই লুকিয়ে থাকে। 

সূত্র: রিপলিস

/এএস/ 
সম্পর্কিত
মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার কথা কেন ভাবছে সিরিয়া
দেশীয় ইঞ্জিন ও এআই সমন্বয়ে আরও শক্তিশালী চীনের জে-২০ যুদ্ধবিমান
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ৬ জন আটক
পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ৬ জন আটক
সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো
সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো
সংসারে টান শ্রমিকদের, মজুরি বাড়ানোর চাপে পোশাকশিল্প
সংসারে টান শ্রমিকদের, মজুরি বাড়ানোর চাপে পোশাকশিল্প
মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার কথা কেন ভাবছে সিরিয়া
মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার কথা কেন ভাবছে সিরিয়া
সর্বাধিক পঠিত
সিএনজি অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং
সিএনজি অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও নাজমুল ইসলাম
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও নাজমুল ইসলাম
অনুর্বর জমিতে ৩০ দিনেই ফুটলো জাফরান, লাদাখে কৃষির নতুন সম্ভাবনা
অনুর্বর জমিতে ৩০ দিনেই ফুটলো জাফরান, লাদাখে কৃষির নতুন সম্ভাবনা
নিষেধাজ্ঞার সুফল কই, কেন এত কমলো ইলিশের উৎপাদন
নিষেধাজ্ঞার সুফল কই, কেন এত কমলো ইলিশের উৎপাদন
এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়লো এলপিজির দাম
এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়লো এলপিজির দাম