ঢাকায় টিকফা ফোরামের তৃতীয় সভা বুধবার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের  মধ্যে ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট কো-অপারশেন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিকফা) কাউন্সিলের তৃতীয় সভা বুধবার (১৭ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক ২১ সদস্যের প্রতিনিধিদলে অংশ নেবেন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ মার্ক লিনসকট। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা এস. বার্নিকাটসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ সভায় অংশ নেবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ছয় দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ।

২০১৩ সলের ২৫ নভম্বের বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের  মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে সহযোগিতার লক্ষ্যে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেষ্টমেন্ট কো-অপারশেন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিকফা) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২০১৪ সালের ২৬ এপ্রিল টিকফা কাউন্সিলের প্রথম সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে  এর দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (১৭ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিতব্য টিকফা কাউন্সিলের এটি তৃতীয় সভা। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯ টায় শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হবে। এরপর বাণিজ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করবেন।

সভায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয় আলোচনায় প্রধান্য পাবে।  বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ সভায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য ও সেবার প্রবেশাধিকার সহজ, পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, টেকনোলজি ট্রান্সফার, ডিজিটাল ইকোনমি, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য প্রবেশে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানো, ওষুধ আমদানি প্রক্রিয়া, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ, আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও এনার্জি সেক্টরে বিনিয়োগ, চুক্তি অব্যাহত রাখা, সরকারি ক্রয়পদ্ধতি ও লেবার ইস্যু বিষয় আলোচনা গতে পারে।

/এসআই/এসএমএ/