বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে জানানো হয়, দু’দিনব্যাপী সভায় বর্তমান বিদ্যমান পরিস্থিতি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সমন্বিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত স্থল শুল্ক বন্দরসমূহে পণ্য খালাস দ্রুততর করা এবং ক্রমান্বয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার বিষয়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।’
সভায় দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সিইওজ ফোরাম গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে চালু করা ৪টি বর্ডার হাটের কার্যক্রমে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। আরও ৬টি বর্ডার হাট আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর করা হবে। ভারতীয় চিনি রফতানির ক্ষেত্রে এবং মোটরসাইকেল সংযোজন শিল্পের জন্য যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক সুবিধা প্রদানের জন্য বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে ভারত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ-ভারত মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ছিল ৬.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৭২.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রসঙ্গত, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে দেশের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, যার মধ্যে বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের সভা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের সভা এক বছর পরপর নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়। এর পূর্ববর্তী সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারতের নয়াদিল্লিতে ২০১৬ সালের ১৫-১৬ নভেম্বর।