এদিন উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত রবিবার লেনদেন হয়েছিল ৩৯৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৫০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। গত রবিবার লেনদেন হয়েছিল ৩৮৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৭ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১২ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৪৮ পয়েন্টে এবং ১৪ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৮টির, কমেছে ২৪৯টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার দর।
এছাড়া টাকার অঙ্কে এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইফাদ অটোমোবাইল, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিক হোটেল, ন্যাশনাল টিউবস, ইবনে সিনা, লংকা-বাংলাফাইন্যান্স, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, ব্র্যাক ব্যাংক এবং গ্রামীণ ফোন।
সিএসই
অন্যদিকে এদিন সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ১৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। গত রবিবার লেনদেন হয়েছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন কমেছে ২২ লাখ টাকা।
এদিন সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৯৭ দশমিক ৬২ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৭৭০ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ১৬৩ দশমিক ৭২ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৮৪৪ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ১২ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৪৫ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৮০ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ১৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ১৬১টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৭টি কোম্পানির শেয়ার দর।
টাকার অঙ্কে এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, কেয়া কসমেটিকস, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, গ্রামীণ ফোন, আলিফ অ্যালুমিনিয়াম, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল এবং বিবিএস ক্যাবল।
আরও পড়ুন:
দক্ষিণ এশিয়াতে বৈষম্য বড় সমস্যা: রেহমান সোবহান