রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইমইডি) সচিব মো. মফিজুল ইসলামস প্রমুখ।
কর্মশালায় ‘এ কেস স্টাডি অব বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন: ডেভেলপমেন্ট অব ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রি ইন বাংলাদেশ’ এবং ‘ক্রপ ডাইভারসিফিকেশন অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি ইন নর্থওয়েস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক দু’টি গবেষণার ফল উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে প্রধান তিনটি হচ্ছে, পর্যটন, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য সেবা। এসব খাতে উন্নতি করার মাধ্যমে অর্থনীতি টেকসই করা সম্ভব।’ তিনি বলেন, ‘যেসব বিদেশি এদেশে ব্যবসা করতে আসেন, আমরা তাদের ট্যুরিস্ট হিসেবে ধরি। এটা ঠিক নয়। তারা আসেন ব্যবসা করতে, বেড়াতে নয়। এজন্যই সঠিক পর্যটকের সংখ্যা পাওয়া যায় না।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘গত ৩/৪ বছরে আমরা ২০ শতাংশ নতুন জমি পেয়েছি। প্রচুর চর জেগে উঠেছে। এছাড়া নদীতে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমেও অনেক জমি পাওয়া যাবে।’ এসব জমির সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি জমি বাড়াতে হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।