আমদানির খবরেই দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। গতকাল দেশে পৌঁছেছে ভারতীয় পেঁয়াজ। এখনও তা বাজারে আসেনি। তবে আজ মঙ্গলবার (৬ জুন) বাজারে এ পণ্যের দাম গতকালের তুলনায় কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আজ খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। যদিও পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।
মিরপুর ১ ও ২ নম্বরের কাঁচা বাজার, মুদি দোকান এবং ভ্রাম্যমাণ পেঁয়াজ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজকের বাজারে পেঁয়াজের দাম কম। বিক্রেতারা জানান, দুই দিন আগেও তারা ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। কিন্তু আজ বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে।
পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আজাদ বলেন, ‘আমরা পাইকারি বিক্রি করি। আজ পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। সাইজের ওপর দাম ৬০, ৬৫ বা ৭০ টাকা হয়ে থাকে। গতকাল বিক্রি করেছি ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। তার আগেরদিন বিক্রি করছি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি।’
তিনি বলেন, ‘আমদানির খবরে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে গেছে। আমাদের এখানে এখনও ভারতীয় পেঁয়াজ পৌঁছায়নি। আজ রাতে পৌঁছাতে পারে। তখন দাম আরও কমে যাবে।’
খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা শরিফুল আলম বলেন, ‘আজ পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। গতকাল আর তার আগের দিন বিক্রি করেছি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।’
মঙ্গলবার এলাকায় ভ্যানগাড়িতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা কেজিতে। এরকম ভ্রাম্যমাণ পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. বিল্লাল বলেন, ‘আমি গত দুই-তিন দিন ৯০, ১০০, ১০৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। আজ দাম কমে গেছে।’
তবে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে আজও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। বিক্রেতারা জানান, তারা আগের দামে পেঁয়াজ কিনেছেন। তাই কম দামে বিক্রি করতে পারছেন না। বেশি দামে কেনা পেঁয়াজ শেষ হলেই বর্তমান দামে বিক্রি করবেন।
পেশায় ব্যবসায়ী মো. মারুফ এসেছেন বাজার করতে। এ সময় পেঁয়াজের দাম প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমদানির খবর শুনে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। আরও নাকি কমবে শুনলাম। সিন্ডিকেট যারা করছে, তাদের লস হওয়া দরকার ছিল।’
কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমছে। এটা একটা ভালো খবর।’