অস্বাভাবিকভাবে এলপিজির দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘‘যারা দোকান বন্ধ রেখেছেন সেগুলো খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি উপদেষ্টা এসব কথা জানান।
কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি প্রসঙ্গে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, ‘‘সাজা দেওয়া হয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই। এখানে তিন ভাগে কাজ হচ্ছে। একটা হচ্ছে জেলা প্রশাসন, দ্বিতীয় হচ্ছে পুলিশ এবং তৃতীয় হচ্ছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। বিভিন্ন খবরের কাগজে আসছে তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। ’’
তিনি বলেন, ‘‘সিলিন্ডার গ্যাসের যে ব্যবসা, এটার ৯৮ শতাংশ হচ্ছে প্রাইভেট সেক্টরে। সরকারের হাতে মাত্র ২ শতাংশ। ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে কিছু প্রোপেন-বিউটেন হয়, সেগুলো দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার করা হয়।’’
উপদেষ্টা আরও জানান, জ্বালানি সচিব এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এলপিজি গ্যাস তো আমদানি করে দেশে আনার পরে বোতলজাত করা হয়। সেই আমদানি গত মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি। সুতরাং, সেই দিক থেকে এই ধরনের কোনও ঘাটতি হওয়ার কথা না।
জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি, এলপিজির দাম আস্তে আস্তে কমবে, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’’
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘‘অনেকেই জানে না— কিছু জাহাজের ওপর একটা নিষেধাজ্ঞা আছে। সেজন্য জাহাজীকরণের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা আছে। সেগুলো আমরা দেখতেছি, জাহাজীকরণের সমস্যাটা যেন না হয়। ভবিষ্যতের জন্য এই জাহাজীকরণের সমস্যাটা দেখার চেষ্টা করছি।’’