গত কয়েকদিনের গ্যাসের তীব্র সঙ্কটের পর অবশেষে আজ বাসাবাড়ির গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। গৃহিণীরা সকালে রান্নাও করেছেন ভালোমতোই।
বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ যাবৎ গ্যাসের তীব্র সঙ্কট দেখা দেয়। এতে করে বাসাবাড়ির রান্নাও বন্ধ হয়ে যায়। অনেকেই বিকল্প হিসেবে ইনডাকশন চুলা (বিদ্যুৎ চালিত) ব্যবহার শুরু করেন। আবার অনেকেই গ্যাসের প্রেসার বাড়ানো মেশিনও কেনেন। আর যারা নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের অবর্ননীয় দুঃখ পোহাতে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আজ সকাল থেকে গ্যাসের প্রেসার কিছুটা বেড়েছে। এতে করে রান্না-বাড়াও করা গেছে।
বনশ্রীর বাসিন্দা গৃহিনী চম্পা জানান, আজ সকালে গ্যাসের চাপ বেড়েছে। এই কারণে তিনি রান্নাও করতে পেরেছেন। তিনি বেলন, “গ্যাস আবারও যদি চলে যায় এই কারণে সারাদিনের রান্না করে ফেলেছেন।”
বাড্ডা থেকেও গ্যাসের চাপ বাড়ার খবর পাওয়া যায়। বাড্ডার গৃহিণী আকলিমা হোসেন বলেন, “সকালে আমরা ভালোই প্রেসার পেয়েছি, রান্নাও হয়েছে। এমন থাকলেও আমরা এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি।” তিনি বলেন, “আমরা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গ্যাসের তীব্র সঙ্কটে আছি। আজ গ্যাস আসায় ভালো লাগছে।”
রামপুরার গৃহিণী কানিজ ফাতেমা বলেন, “আজ সকালে তো গ্যাসের প্রেসার পেলাম। যা আসছে তাতে করে এভাবে থাকলেও আমাদের জন্য ভালো। আমরা রান্না-বাড়া করতে পারলে আমাদের আর সমস্যা নাই। কিন্তু কতক্ষণ থাকে এই ভয়েও আছি।”
মিরপুরের গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন, “সকাল থেকে গ্যাসের প্রেসার আসছে। আমরা রান্নাও করতে পেরেছি।”
প্রসঙ্গত, রাজধানীসহ সারাদেশে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি দেখা দেয় বাসাবাড়ির রান্নার কাজে। পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় রান্নাঘরে চুলা জ্বালানোই দায় হয়ে পড়ে। এতে অসন্তোষ বাড়ে মানুষের মধ্যে।