ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ছোট-খাটো এক সংবাদ সম্মেলন হয়ে গেলো, সেটা ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার উল্টোটা ঘটে গেলো। একদিকে হাসিনার ভাষণ এবং সীমিত প্রশ্নোত্তর আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে ব্যাপক কভারেজ পেলো; অন্যদিকে ৫ আগস্টে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সরকার দেখালো তীব্র প্রতিক্রিয়া। মাঝখানে ভারত সরকার দুই হাত তুলে বললো, ‘এর মধ্যে আমি নাই।’
ভারত সরকার হাসিনার ভাষণ থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করলেও, এই ঘটনার ফলে দুই দেশের খুঁড়িয়ে চলা সম্পর্ক সোজা হয়ে দাঁড়ানোর আগেই আবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। তবে হাসিনার ভাষণের আগেও সম্পর্ক সোজা হয়ে দাঁড়াবার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হওয়ার অবকাশ আছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকারের জন্য এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছেন।
ভারতের প্রতি বাংলাদেশের জোর দাবি ছিল, হাসিনার মুখ যেন বন্ধ রাখা হয়। কোনোভাবেই যেন তাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না দেওয়া হয়। ভারত তাদের আশ্রিত অতিথির বাকস্বাধীনতা হরণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যদিও এর ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা ছিল।
সম্ভবত ভারতের হিসাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও খারাপ হওয়ার সুযোগ ছিল না, কারণ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যেও কোনও পদক্ষেপই নেননি। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পর্ক যে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল, তারেক রহমানের প্রথম ৬ মাসে সেই তলানিতেই রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করে হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দিয়ে দিল্লি ঢাকাকে বোঝাতে চেয়েছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে তারা আগ্রহী, তবে হাসিনাকে বিসর্জন দিয়ে নয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে একটা সাধারণ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে, ভারতের হাই কমিশনারকে তলব করে কোনো কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে নয়। প্রেস রিলিজ মূলত অভ্যন্তরীণ অডিয়েন্সের জন্য দেওয়া হয়, অর্থাৎ নিজেদের লোকজনদের দেখানোর জন্য। তবে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে হাসিনার বক্তব্য যে ব্যাপক কভারেজ পাচ্ছিল, সেটা কাউন্টার করার জন্যও এ ধরনের বিবৃতির প্রয়োজন ছিল এবং সেখান থেকে দিল্লিও যে ঢাকার মনোভাব আঁচ করতে পারে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
ব্রিক্স-এর হাতছানি
এই ঘটনার রেশ কত দূর গড়াবে, বা কত দিন ধরে চলবে, তা বলা মুশকিল। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, দিল্লিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা আগামী দিনগুলোতে ঢাকার সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক চায়। কিন্তু বাস্তবে, সিদ্ধান্ত হয়তো বাংলাদেশকেই আগে নিতে হবে।
চীন, রাশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রকা আর ভারতের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী ব্রিক্স-এর পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন আর মাসখানেক পরেই দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিক্স সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হাসিনার ভাষণের আগেই কেউ কেউ উপদেশ দিচ্ছিলেন তারেক রহমান যেন দিল্লিতে না যান। ভাষণের পর এই উপদেশ দাবিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবশ্য গত ফেব্রুয়ারি মাসেই তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারত সফর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। দ্বিপাক্ষিক এই রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ তারেক রহমান গ্রহণ না করে উল্টো চীন ঘুরে আসলেন। ভারত সেখান থেকে যে একটি নেতিবাচক বার্তা নিয়েছে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ভাষণ-পরবর্তী পটভূমিতে তারেক রহমান কী করবেন? ‘সিদ্ধান্ত ভারতকে নিতে হবে’ বলে বসে থাকা যাবে না; অন্তত ব্রিক্স-এর আমন্ত্রণের জবাব দু-তিন সপ্তাহের মধ্যেই দিতে হবে।
সরকার যে ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তার মাধ্যমে ঢাকা নিজেই নিজেকে এক কোনায় ঠেলে দিয়েছে, যেখান থেকে অবস্থান পরিবর্তন করার জায়গা সীমিত। আমন্ত্রণ গ্রহণ করলে তারেক রহমান যেমন নিজের দলের হার্ডলাইনারদের চাপের মুখে পরবেন, তেমনি গ্রহণ না করলে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের কূটনীতিকে ‘অপরিপক্ব’ হিসেবে মূল্যায়ন করার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
জুলাই আন্দোলনের ‘মালিকানা’
শেখ হাসিনার ভাষণ সরকারকে এভাবে খেপিয়ে তোলার জন্য অভ্যন্তরীণ কারণ থাকলেও, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কূটনীতিতে পরিপক্বতা দেখানো জরুরি। অন্যদিকে ভারতের নীতি-নির্ধারকরা ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তাপ কমাতে নিজেরাই উদ্যোগ নিলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না।
বাংলাদেশের নতুন সরকার, যার বয়স এখনো ৬ মাস হয়নি; আশা করেছিল তারা ২০২৪ সালের বিক্ষোভের মুখে শেখ হাসিনার পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকী ঘটা করে পালন করে ‘জুলাই আন্দোলনের’ মালিকানার দাবি পাকাপোক্ত করবে। বিএনপির নীতি-নির্ধারকরা সম্ভবত এই বার্ষিকী উদযাপনকে দলীয় চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্দোলনের ‘নায়ক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ হিসেবে দেখছিলেন।
কিন্তু ঝামেলা বাধালেন হাজার মাইল দূরে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থানরত হাসিনা।
কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল হাসিনা ৫ আগস্ট দিল্লির ফরেন করেস্পন্ডেন্টস ক্লাব বা এফসিসিতে বিদেশি গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সরাসরি বক্তব্য দেবেন। তখন থেকেই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়, তিনি কি সশরীরে উপস্থিত হবেন? নাকি ভিডিওর মাধ্যমে? নাকি লাইভ আসবেন কিন্তু শুধু অডিওতে? তিনি কি শুধু একটি ভাষণ দেবেন, নাকি সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বও থাকবে?
বাংলাদেশ সরকার যে ৫ আগস্ট হাসিনার কোনো অনুষ্ঠান সহ্য করতে পাড়বে না, তা বলাই বাহুল্য। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির হাসিনার অনুষ্ঠান আটকিয়ে দেওয়ার জন্য ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে অনুরোধ করেন। তিনি ত্রিবেদীকে সতর্ক করে দেন যে, হাসিনার বক্তব্য প্রদান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সামাজিক মাধ্যমে কবিরের বক্তব্যকে ‘শক্ত বার্তা’ হিসেবে প্রচার করা হয়।
ভারত সরকার এফসিসি অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে। তারা বলে, এফসিসি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাদের পেশাগত কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার অধিকার সরকারের নেই। বাংলাদেশে অবশ্য পর্যবেক্ষকরা দিল্লির এই কথা বিশ্বাস করেনি, এবং তা যুক্তিসঙ্গত কারণেই।
এ কথা ঠিক যে, ভারত সরকার এফসিসি-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে না, এবং ওই ক্লাবকে তাদের কোনো অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এ কথাও ঠিক যে, ভারত সরকার চাইলে আইন-শৃঙ্খলা বা জাতীয় স্বার্থের দোহাই দিয়ে অনুষ্ঠান স্থগিত করে দিতে পারতো। তারা সেটা না করে বাংলাদেশের সরকারের প্রতি নিজেদের একটি বার্তা ছুঁড়ে দিলো।
হত্যাকাণ্ড বনাম দায়মুক্তি
কিন্তু ৫ আগস্ট হাসিনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুধু বক্তব্যই দেননি। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দিয়ে অনুষ্ঠানকে ছোট-খাটো সংবাদ সম্মেলনে পরিণত করেন।
হাসিনার বক্তব্যে তেমন নতুন কিছু ছিল না; ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণাটি তিনি কয়েক সপ্তাহ আগেই রয়টার্স-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন। এখানে নিশ্চিত করা হয়ে যে, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই এবং সরকার যাই করুক বা না করুক, তিনি দেশে ফিরবেন।
তবে, তার এবং পুত্র সজীব ওয়াজেদের বক্তব্য শুনে মনে হল তারা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের কয়েক শত কর্মী-সমর্থক এবং প্রায় ৫০ জন পুলিশ হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের যতদিন ‘দায়মুক্তি’ দেওয়া থাকবে, ততদিন তারা জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারী হত্যার জন্যও দায়মুক্তি দাবি করবেন। ইউনূস সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে আন্দোলনের স্বার্থে সংঘটিত সকল অপরাধের জন্য দায়মুক্তি দেয়, যেটা নতুন সংসদ অনুমোদন করে।
‘যে দিন এই দায়মুক্তি প্রত্যাহার করা হবে, যেদিন পুলিশ অফিসার, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হবে, সেদিন আওয়ামী লীগও ক্ষমা চাইবে, দুঃখ প্রকাশ করবে’, সজীব ওয়াজেদ ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ ক্ষমা চাইবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন।
আবার অন্যদিকে তারা, রিকন্সিলিয়েশন বা বিবাদ মিটিয়ে শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করার উপরও জোর দেন। কিন্তু সহিংসতায় নিহতদের ব্যাপারে ‘কঠোর অবস্থান’ বজায় রেখে রাজনৈতিক পর্যায়ে রিকন্সিলিয়েশন কীভাবে অর্জন করা হবে, তার কোন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
শেখ হাসিনা ভারতের কাছে কেন ‘পলাতক’ নন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার একজন ‘পলাতক আসামি’ হিসেবে দেখে। তাই তারা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ যে ভারত হাসিনাকে দিল্লিতে একটি সংবাদ সম্মেলন করতে দিয়েছে। কিন্তু ভারত হাসিনাকে কীভাবে দেখে? সেটা আঁচ করা যায় ভারতের সাবেক এক কূটনীতিকের মন্তব্যে।
বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘শেখ হাসিনা একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে এসেছেন। উনি পালিয়েও আসেননি; মধ্যরাতেও আসেননি; উনি ছদ্মবেশে আসেননি; উনাকে উনার দেশের সামরিক বাহিনী তার নিরাপত্তার জন্য ভারতে দিয়ে গেছে।’
কথাটা অসত্য নয়। হাসিনাকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পরিবহন বিমান তেজগাঁও সামরিক বিমানবন্দর থেকে দিল্লির অদূরে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হিন্ডন ঘাঁটিতে পৌঁছে দেয়। বিমানে হাসিনার নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স বা এসএসএফ-এর একটি দলও ছিল বলে ঢাকার একটি পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়।
দুই বছর আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের অনেক ক্যাজুয়াল্টির মধ্যে অন্যতম ছিল ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মাদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সম্পর্ক প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকে। ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হওয়ার পর শীতল সম্পর্কে কিছুটা উষ্ণতা ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেটাও বেশি দূর আগাতে পারেনি।
প্রশ্ন হচ্ছে, সম্পর্ক উন্নত করতে আগ্রহ কার বেশি? কোন দেশ মুখ ঘুরিয়ে চলে যেতে পারে? সোজা উত্তর হচ্ছে, দুই দেশই পারে, কিন্তু কোনো দেশেরই সেটা করা বিচক্ষণ হবে না। হাসিনা ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে অনেক দীর্ঘস্থায়ী এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যেগুলো সমাধান করার জন্য ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং নিয়মিত আলোচনা প্রয়োজন।
দিল্লিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান যদি আসলেই ঢাকার জন্য একটি গুরুতর ইস্যু হয়ে থাকে, তাহলে হাসিনা নিজেই তার একটি সমাধান বের করেছেন। তিনি ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসার কথা বলেছেন। বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে, তাকে ফিরতে দিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা- অর্থাৎ, কারাগার, দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল, জামিনের সুযোগ ইত্যাদি নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা যে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ নন, তা সরকার নিজেই উঠতে-বসতে প্রমাণ করছে। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাসিনার বিরুদ্ধে সকল মামলার নিষ্পত্তি করা হলে হয়তো দেশের রাজনীতি স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করতে পারবে।
লেখক: সাংবাদিক এবং পডকাস্টার।
যোগাযোগ: sabir.mustafa@gmail.com