নিহত হানিফ হোসেন্দি ইউনিয়নের লস্করদী গ্রামের নজু মিস্ত্রীর ছেলে। তিনি হোসেন্দি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও আ. লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী মনিরুল হক মিঠুর সমর্থক।
স্থানীয়রা জানান, আসন্ন হোসেন্দি ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যার দিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাহাবুবুল হক মজনু একটি মিছিল বের করেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর মিছিলে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লা খান তোতা। এর কিছুক্ষণ পর আ. লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিঠুর একটি মিছিল বের হয়। সেই সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন মজনুর সমর্থকরা মিঠুর কয়েকটি নির্বাচনি ক্যাম্প ভাংচুর করেন। এরপর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলের তিনশ’ গজ দূরেই ছিল পুলিশের একটি দল। পুলিশের সামনে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি চলতে থাকে। এ সময় হানিফ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যান। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ ১৩১ রাউন্ড শর্টগানের গুলি করে এবং ৭টি টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।
এএসপি (সার্কেল) সদর কাউছার রিজভি কোরেশি জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি চলাকালে হানিফ (২৫) নামে একজন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশের অভিযান চলছে।
ঘটনার পর থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী মজনু ও তার সমর্থকরা পলাতক আছেন। হোসেন্দিতে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন:
/জেবি/এপিএইচ/