প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অলী উল্যাহ, বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. গৌতম কুমার দাস প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ড. সাইফুজ্জমান ছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ। মানুষের বিপদ আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তার পরম ধর্ম। মীর সানাউর ও অধ্যাপক সাইফুজ্জমান গরিব রোগীদের ১৫ বছর ধরে সেবা দিয়ে আসছিলেন। শিক্ষক হিসেবে তার মতো সদালাপী লোকও খুব কম হয়। আমাদের সহকর্মীকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার না হলে, আমাদের আন্দোলন এখানেই শেষ হবে না। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি ঘাতকদের বিচারের কাঠগড়ায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ড. মো. সাইফুজ্জামান ও হোমিও চিকিৎসক মীর সানাউর রহমান মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল শিশির মাঠ এলাকায় তাদের দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র যাচ্ছিলেন। পথে আরেকটি মোটরসাইকেলে করে তিন আরোহী এসে তাদের গতিরোধ করে। এসময় দুর্বৃত্তরা কোনও কথা না বলে চাপাতি দিয়ে তাদের উপর্যুপরি কোপাতে থাকে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মীর সানাউরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার সরকার। আর অধ্যাপক সাইফুজ্জামানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে গিয়ে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
/জেবি/টিএন/আপ-এসএনএইচ/
আরও পড়তে পারেন:
ঘোষণা দিয়ে মডেলের আত্মহত্যা, একজন গ্রেফতার
কাজে অনীহা, তাই ৪০ হাজার নারী গৃহকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব!
প্রয়োজনে ফৌজদারি আইনে পরিবর্তন আসতে পারে