বুধবার (৮ জুন) রাত ৯টার দিকে করিমগঞ্জের দেহুন্দা সেতুর ওপর থেকে প্রথমে শিপন মিয়াকে (৩৭) আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই কিশোরগঞ্জ সদরের নীলগঞ্জ থেকে লামিয়াকে উদ্ধার করা হয়। লামিয়া দেহুন্দা গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, শাহ আলম তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় থাকতেন। শিশু লামিয়া দেহুন্দা গ্রামে দাদার বাড়িতে ছিল। ৩০ মে গভীর রাতে দেহুন্দা গ্রামের শিপন শিশু লামিয়াকে দাদার বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বুধবার লামিয়ার বাবা শাহ আলম করিমগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ রাতেই শিপনকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নীলগঞ্জে শিপনের ভগ্নিপতি জালাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লামিয়াকে উদ্ধার করা হয়।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী জানান, শিপনকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
কিশোরগঞ্জে দুই মামলায় বিএনপি’র ৫১ নেতাকর্মী খালাস
হিজড়াদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৬ পুলিশ, আটক ৫
/এআর/এইচকে
আপ - /এসএ/