পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) সিদ্দিকুর রহমান জানান,তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কোনও কারণ জানা না গেলেও গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নিখোঁজরা গুম হতে পারেন, নারী ঘটিত ব্যাপারেও নিখোঁজ থাকতে পারেন, আবার তাদের অপহরণও করা হতে পারে। তারা কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন। আমরা সব বিষয় মাথায় নিয়েই তদন্ত করছি।
আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম ফারুক আহমেদ জানান, নাগদহ গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে লিখন হক ২০১৬ সালের ২০ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ১১ জুলাই লিখনের বাবা নিখোঁজের বিষয়ে থানায় একটি জিডি করেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, তার ছেলে রাগারাগি করে বাড়ি থেকে চলে গেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিমান কুমার দাশ বলেন, পিয়ারখালী গ্রাম থেকে সজীব নামের এক যুবক ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ এবং একই গ্রামের সুমন ২৭ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ২ যুবক সুমন ও সজীব এক বন্ধুর সঙ্গে তার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে আর ফিরে আসেনি। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করা হয়েছে।
/এমএসএম/