পদ্মার পানি ছুঁয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ। হুমকিতে থাকা বেড়ি বাঁধ যে কোনও সময়ে ভেঙে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন পদ্মাপাড়ের মানুষেরা। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের আন্দোলন ও দাবির মুখে শেষ মুহূর্তে নদীতে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে জিও ব্যাগে মোটা বালির বদলে চিকন বালি ভর্তির অভিযোগ উঠেছে।
রাজবাড়ীর জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের সাড়ে ৮ কিলোমিটার এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। ইউনিয়নের উড়াকান্দা, লালগোলা, নয়নসুখ গ্রামের ৬শতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে আজ নিঃস্ব। কয়েকদিন আগেও যেখানে ছিলো বসতি আর ফসলি জমি, এখন সেখানে শুধু পানি আর পানি। জেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে কয়েকটি গ্রাম।
নদীর তীরের কাছ থেকে অবাধে বালি উত্তোলন ও নদী শাসনের দাবিতে ইতোমধ্যে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইউনিয়নবাসী। তাদের দাবি, নদীর বাঁধের কাছ থেকে যেনো আর বালি উত্তোলন করা না হয়। নদী সুষ্ঠুভাবে শাসনের মাধ্যমে ভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করতে হবে।
উড়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহরাব আলি খান বলেন, নদীর পানি বাঁধ ছুঁয়েছে। যে কোনও সময়ে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। নদী ভয়ঙ্ককর রূপ ধারন করেছে। আর জিও ব্যাগে মোটা বালির বদলে চিকন বালু ভরা হচ্ছে।
বাঁধের পাশের বাড়িঘর সব কিছু সরিয়ে নেওয়ার সময়ে আজিরন বিবি বলেন, যে কোনও সময়ে বেড়ি বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। তাই জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছি।
নদীর তীরের কাছ থেকে অবাধে বালি উত্তোলন ও নদী শাসনের দাবিতে ইতোমধ্যে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইউনিয়নবাসী। তাদের দাবি, নদীর বাঁধের কাছ থেকে যেনো আর বালি উত্তোলন করা না হয়। নদী সুষ্ঠুভাবে শাসনের মাধ্যমে ভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করতে হবে।
উড়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহরাব আলি খান বলেন, নদীর পানি বাঁধ ছুঁয়েছে। যে কোনও সময়ে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। নদী ভয়ঙ্ককর রূপ ধারন করেছে। আর জিও ব্যাগে মোটা বালির বদলে চিকন বালু ভরা হচ্ছে।
বাঁধের পাশের বাড়িঘর সব কিছু সরিয়ে নেওয়ার সময়ে আজিরন বিবি বলেন, যে কোনও সময়ে বেড়ি বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। তাই জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছি।
বরাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান সেলিম জানান, ভাঙন প্রতিরোধে এখন যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা শুধু মানুষকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য। যা হাস্যকর। আর কিছু অসৎ কর্মকর্তার পকেট ভারী করার জন্য এই কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এখন যে কার্যক্রম চলছে এতে কোনও বাঁধ রক্ষা পেতে পারে না। যে পর্যন্ত ভাঙন বিস্তৃত হয়েছে সে পর্যন্ত নদী শাসনের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নদী তীরে বোল্ডার দিয়ে সিসি ব্লকের মাধ্যমে বেঁধে দিতে হবে। আর নদী থেকে বালি উত্তোলনের ব্যাপারে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ করা হবে।
রাজবাড়ীর-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী বলেছেন, নদী থেকে বালি উত্তোলনের ফলে ভাঙন হলে আর বালি উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। বেড়ি বাঁধ রক্ষা করতে ভবিষতে নদী আরও ভালো করে শাসন করা হবে।
/এমএসএম/