জানা গেছে, এই ইউনিটের প্রশ্নপত্রে উত্তর ‘বিশেষভাবে’ চিহ্নিত থাকার অভিযোগে এ ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সি-৩ ইউনিটের সব ভর্তি প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় জড়িতের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে, গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপাচার্যের মৌখিক নির্দেশে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ বিবিএ প্রোগ্রামের সি-৩ ইউনিট (বিজ্ঞান শাখা) ভর্তি প্রার্থীর জন্য পূর্বঘোষিত ৭ নভেম্বরের সাক্ষাৎকার স্থগিত করা হলো।
গত সোমবার বিকেলে বাণিজ্য অনুষদের ‘সি-২’ ও ‘সি-৩’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ১০০টি প্রশ্নেরই সঠিক উত্তরের অপশনে ঝাপসা করে দেওয়া রয়েছে। কিন্তু পরদিন মঙ্গলবার ওই ইউনিটের ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় ১২০ এর মধ্যে ১১৯ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে। এছাড়া ফলাফলের ১ম সারির বাকি ২৯ জনই অস্বাভাবিক নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে কখনও কেউ এতো নম্বর পাননি।
/এসএনএইচ/