জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাপরতলা এলাকা থেকে সুরুজ আলীকে গ্রেপ্তার করেছি। হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজে সুরুজ আলী জড়িত বলে প্রমাণ রয়েছে। অন্য বিভিন্ন সূত্রেও ওই হামলার ঘটনায় তার জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।’
নাসিরনগরের ঘটনার পর পরই স্থানীয় অধিবাসীরা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ৩০ অক্টোবর ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদে ডাকা সমাবেশে সুরুজ আলী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। এর পরই হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে সুরুজ আলী দলবল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।
হামলার পর অভিযোগ ওঠায় নাসিরনগরের চাপরতলা ইউনয়িন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরুজ আলীকে সাময়িক বহিষ্কার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ। একইসঙ্গে আবুল হাসেম ও মো. ফারুক নামে আরও দু’জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
আরও পড়ুন-