নিজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আরবি পড়তে গিয়ে ওই বাড়ির ভেতর আটকা পড়েছিল তানিশা। তারা (অবরুদ্ধ লোকজন) যে বেঁচে ফিরবে, এই আশা আমরা ছেড়েই দিয়েছিলাম। তানিশা খুব ভয় পেয়েছে। ও রীতিমতো আতঙ্কিত অবস্থায় আছে। এখনও ঠিকমতো কথাই বলতে পারছে না।’
অভিযান শেষ হওয়ার পর এই বাড়ি থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে ওই বাড়ির গ্রিল কেটে ছয় জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডেপুটি অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর (ডিএডি) কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া সবাইকে সীতাকুণ্ড থানায় নেওয়া হয়েছে।
ডিআইজি আরও জানান, অপারেশন শেষে এখন বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বাসার ভেতরে প্রবেশ করছে। তারা বোমা নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে।
এর আগে বুধবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যার পর সীতাকুণ্ড পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকায় নামারবাজারে ‘সাধনকুটির’ নামের একটি বাড়ি থেকে জসিম ও আরজিনা নামের দুই জঙ্গিকে আটক করে পুলিশ। ওই নারীর গায়ে আত্মঘাতী হামলার ভেস্ট ছিল। সাধনকুটির থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন-
- ‘বিদেশিদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের’
- ‘আল্লাহু আকবর’ বলে হামলা চালায় জঙ্গিরা
- অপারেশন অ্যাসল্ট সিক্সটিন: চার জঙ্গি নিহত
- দুই জঙ্গির লাশের ছবি প্রকাশ
- সীতাকুণ্ডে অভিযান: সোয়াত সদস্যদের ওপর জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলা
- সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় সোয়াতের অভিযান শুরু, চলছে গোলাগুলি
- কয়েকটি পরিবারকে জিম্মি করেছে জঙ্গিরা
- জঙ্গি আস্তানা থেকে থেমে থেমে গুলির শব্দ আসছে
- জঙ্গিরা ‘সাধনকুটির’ বাড়িটি ভাড়া নেয় ২৭ ফেব্রুয়ারি
- সীতাকুণ্ডে আটক নারীর কোমরে ছিল আত্মঘাতী ভেস্ট
- সীতাকুণ্ডে দুটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান: আটক ২, অবরুদ্ধ ৩
/এফএস/টিআর/