ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর শুক্রবার (৩১ মার্চ) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে ডা. পার্থ সারথি দত্ত বলেন, ‘লাশগুলো সব ছিন্নভিন্ন ছিল। তাদের বুক থেকে নিচের অংশ পাওয়া যায়নি। সবার শরীরের সঙ্গে প্যাঁচানো ছোট ছোট তার মিলেছে। বিচ্ছিন্ন ছোট ছোট পা দেখে বোঝা যাচ্ছে সেগুলো শিশুদের। তারা সবাই আত্মঘাতী হয়েছে।’
নিহতদের আনুমানিক বয়সও জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। তাদের মধ্যে পুরুষের ৩৫ বছর, দুই নারীর একজন ৩০ ও একজন ২৫ বছর এবং চার শিশুর একজন ১২ বছর, একজন ১১ বছর, একজন ২-৩ বছর ও ছোট্ট শিশুর বয়স ২-৩ মাস।
বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানা থেকে সাতটি লাশ উদ্ধার করা হয়। এদিন বিকালে নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় অপারেশন হিট ব্যাক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, জঙ্গি আস্তানায় ৭-৮টি লাশ রয়েছে। তবে সেগুলো ছিন্নভিন্ন ছিল বলে সঠিক সংখ্যা ওই সময় বলতে পারেননি তিনি। এই আস্তানা থেকে শুক্রবার দুপুরে একটি সুইসাইডাল ভেস্ট এবং একটি গ্রেনেড উদ্ধারের পর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে গত ২৮ মার্চ রাত থেকে মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায় একটি বাড়ি এবং খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুর গ্রামের একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে ঘিরে রাখে পুলিশ ও সিটিটিসি। এর পরদিন সন্ধ্যায় নাসিরপুরের আস্তানায় অভিযান শুরু করে সোয়াট। পরে আলোর স্বল্পতার কারণে রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পরে পুনরায় অভিযান শুরু করে তা শেষ হয় বিকালে।
/এনএল/জেএইচ/
আরও পড়ুন-
নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় ৪ শিশু, ২ নারী ও ১ পুরুষের লাশ