বগুড়ায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) ও সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ইউইও) বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে দুই শিক্ষিকাকে তাদের পছন্দের বিদ্যালয়ে বদলি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সদরের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয়জন সহকারী শিক্ষিকা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে দুই শিক্ষা কর্মকর্তাই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, গত ৯ মার্চ সেউজগাড়ি ও ১৭ মার্চ চকসুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদ খালি হয়। পদ দুটিতে বদলির জন্য আরও অনেকের সঙ্গে আবেদন করেন সদরের এরুলিয়া, কাটনার নামাজগড়, হরিগাড়ি, নুনগোলা, কৈচর ও ঘোলাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছয় শিক্ষিকা। তাদের অভিযোগ, পদ দুটিতে প্রার্থী নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা কমিটির নীতিমালা মানেননি ডিপিইও হোসেন আলী ও ইউইও আবদুল জব্বার। জেলার এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার তদবিরে তারা ঘুষ নিয়ে দাড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সোহেলী আখতারকে সেউজগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং নামুজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানাকে চকসুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির সুযোগ করে দিয়েছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী বলেন, ‘ডিপিইও হোসেন আলী ও ইউইও আবদুল জব্বারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।’ সবকিছু নীতিমালা মেনে হওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।
যোগাযোগ করা হলে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করেন ডিপিইও হোসেন আলী ও ইউইও আবদুল জব্বার। তারা জানান, নীতিমালা মেনেই ওই দুই শিক্ষিকাকে বদলি করা হয়েছে। মহাপরিচালকের অধিদফতর থেকে তদন্ত প্রতিবেদন আসলে প্রকৃত সত্য জানা যাবে।
/এমএ/এফএস/