বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি কর্মকর্তাদের সঠিক মূল্যায়নে ভূমিকা রাখবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিমুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক  বলেছেন, ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি যোগ্য কর্মকর্তাদের সঠিক মূল্যায়নে ভূমিকা রাখবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির মাধ্যমে কাজের লক্ষ্যমাত্রা আগে থেকে নির্দিষ্ট থাকায় বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের যোগ্যতার অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়নের পথও বন্ধ হবে।’

মঙ্গলবার (৬ জুন) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দফতরসমূহের সঙ্গে ২০১৭-১৮ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি  স্বাক্ষর শেষে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে  তিনি এ কথা বলেন। এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব অপরুপ চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ দফতরসমূহের প্রধান এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা  উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিব ও দফতরসমূহের প্রধানরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতা বাড়াতেও এ চুক্তি সাহায্য করবে। তাছাড়া এতে মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে অর্জিত হবে এবং সেবার মানও বৃদ্ধি পাবে।’মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

উল্লেখ্য, সরকারি কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়িত্বশীলতা ও গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে সরকার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির প্রবর্তন করেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু হয়। মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পদ্ধতিনির্ভর থেকে ফলাফলনির্ভর করা এ চুক্তির উদ্দেশ্য। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও একই সঙ্গে সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও এ চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য। এ চুক্তির আওতায় একটি অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে কোন কোন কার্য সম্পাদন করা হবে, কীভাবে করা হবে- সূচকের ভিত্তিতে তার রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়।

/সিএ/এফএস/  

আরও পড়ুন- 


কানে না ‘শোনা’ এখন অতীত