বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শামিমা খাতুন বালিয়াকান্দির পাইককান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। আর আলিমুর রেজা ফরিদপুর জেলার মধুখালীর রামদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের পাইককান্দি গ্রামের বাসিন্দা।
নির্যাতিতা শিক্ষিকার বড় ভাই মো. এনামুল জানান, বোনের বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী আলিমুর রেজা বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার (০৩ আগস্ট) সকালে শামিমা তার বেতনের চেকে স্বাক্ষর না করায় তাকে বেধড়ক মারধর করেন রেজা। এতে শামিমা ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। শামিমার বড় ছেলে তৌফিক বিষয়টি টের পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে বালিয়াকান্দি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিক্ষিকাকে নির্যাতনের খবর পেয়ে হাসপাতালে তাকে দেখতে যান বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম রকিব হায়দার, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হক ও সুশান্ত বাড়ৈ, ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বালিয়াকান্দি শাখার সাধারণ সম্পাদক রঘুনন্দন শিকদার এবং নির্যাতিতার সহকর্মীরা।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার স্কুলশিক্ষিকা চাইলে তাকে আইনি সহযোগিতা করা হবে।’ বালিয়াকান্দি থানার ওসি হাসিনা বেগম বলেন, ‘স্কুলশিক্ষিকার নির্যাতনের বিষয়টি ইউএনও মহোদয় আমাকে জানিয়েছেন। অভিযোগ পেলে নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/এএম