ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ পরবর্তী প্রথম দিন (৫ সেপ্টেম্বর) চামড়ার দাম নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তবে শনিবার বেশি দাম পেয়ে স্বস্তি ফেরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম এ চামড়ার হাটে যশোর ছাড়াও খুলনা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, ঢাকা, রাজশাহী, পাবনা, ঈশ্বরদী এবং নাটোরের বড় বড় ব্যবসায়ীরা চামড়া বেচাকেনা করেন।
চামড়া ব্যবসায়ী আবুল কাশেম বলেন, ‘এখন প্রতি বস্তা লবণ কিনতে হচ্ছে দেড় হাজার টাকায়। এছাড়াও শ্রমিক খরচ আছে। সবমিলিয়ে খরচের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। ট্যানারি মালিকরা যদি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চামড়ার দাম নির্ধারণ করেন, তাহলে আমাদের মতো ব্যবসায়ীরা কিছুটা লাভের মুখ দেখবে।’
ব্যবসায়ী আব্দুর রব বলেন, ‘ট্যানারি সিন্ডিকেটের মনোপলি দামের কারণে চামড়ার বাজারের এ অবস্থা। তারা প্রতিবছর যে দাম নির্ধারণ করেন, তাতে আমাদের ক্ষতিই হচ্ছে। এক হাটে ১০ টাকা লাভ হলে পরের হাটে ২০ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখনও মানুষের কাছে এক লাখের মতো চামড়া আছে। সামনের হাটে সেগুলো বাজারে উঠবে।’
প্রসঙ্গত, ট্যানারি মালিকরা এবার প্রতি বর্গফুট চামড়া (গরু) ৪০/৪৫ টাকা এবং প্রতিটি ছাগলের চামড়া ৭০/৭৫ টাকা নির্ধারণ করে।
আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় রাখতে ২ হাজার একর জমি নির্ধারণ
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতকে পাশে পাওয়ার আশা কাদেরের
'এতদিন তো মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল, এখন তো রাস্তায় নামিয়ে দিলো’
রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় রাখতে ২ হাজার একর জমি নির্ধারণ