শনিবার সকালেই পুনর্মিলনী উপলক্ষে স্কুল প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন। শোভাযাত্রার পাশাপাশি নেচে-গেয়ে উচ্ছ্বাস জানান তারা। শোভাযাত্রাটি শহরের আদালত সড়ক, শাপলা চত্বর, চেঙ্গী স্কয়ার হয়ে আবার হাইস্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে যুদ্ধাবস্থার অবসান হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক দেশে এখনও যুদ্ধ চলছে। আমাদের দেশ থেকেও সৈন্য যাচ্ছে। কিন্তু আমরা সবাই মিলে একটি সমঝোতায় আসতে পেরেছি। বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।’
পরে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ ৬০ বছরের ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেকে অবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি আগামী একশ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে একটি চারতলা বিল্ডং তৈরি করে দেওয়া এবং বিশেষ অতিথি প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং পরীক্ষা গ্রহণের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে একটি মিলনায়তন তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিকালে র্যাফেল ড্র, আতশবাজি প্রজ্জ্বালন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন-
মোস্তফা: স্কুলশিক্ষক থেকে নগরপিতা
রসিক নির্বাচন নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: বাণিজ্যমন্ত্রী