সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিন পালিত হলেও এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু আগের দিন রবিবার থেকেই। রবিবার রাত থেকেই শুরু হয় প্রার্থনা। সোমবার দিনব্যাপী আনন্দ উৎসব আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এর আনুষ্ঠানিকতা। এর সঙ্গে ছিল বিশেষ খাবারের আয়োজন। কোনও কোনও বাড়িতে ও উপাসনালয়ে কীর্তনের পাশাপাশি ধর্মীয় গানের আসরও বসেছে।
শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনের ফাদার সুব্রত বনিফাস টুলেন্টিনু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রবিবার ও আজ সোমবার দুই দফায় প্রার্থনা হয়েছে। এবারের প্রার্থনার মূল ভাবনা ছিল শান্তি ও সহাবস্থান। পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে এসে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের শান্তি ও সহাবস্থানের যে বাণী শুনিয়েছেন, তার প্রতিফলন ছিল বড়দিনে প্রার্থনায়।’
শ্রীমঙ্গলে বড়দিনের আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বিশপ মিওটেনিয়াম গোমেজ সিএসসি। তার সঙ্গে ছিলেন সিলেট ধর্ম প্রদেশের ধর্মপাল বিজয় এন ডি ক্রুজও এমআই, শ্রীমঙ্গল ধর্মপল্লির পালক পুরোহিত ফাদার সুব্রত বনিফাস টলেন্টিনু সিএসসি, ফাদার লরেন্স টপ্য, সহকারী পাল পুরোহিত ফাদার যোসেফ বাগনার গনসালভেস সিএসসি, ফাদার দিগন্ত চাম্বুগং সিএসসি, ঢাকা থেকে আগত ফাদার নিকোলাস বাড়ৈ সিএসসি, ফাদার গাব্রিয়েল টপ্য সিএসসি, ফাদার তুষার ও ফাদার কাকন।
এছাড়া বড়দিনের অনুষ্ঠানে ধর্মপল্লির আওতায় ৭৬টি গ্রাম, চা বাগান ও খাসিয়া পুঞ্জির প্রায় ১২ হাজার খিস্টান ধর্মাবলম্বী সব বয়সী নারী-পুরুষ অংশ নেন।
ক্যাথলিক মিশনে জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের পক্ষে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়, পৌর যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন শাহীন, সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছালিক আহমেদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারাও বড়দিনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।