তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে আরও একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
পুলিশ জানায়, নারী নির্যাতন মামলার ওই আসামির নাম আতাউর রহমান। তিনি গনিপুর মসজিদের ইমাম। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সদর উপজেলার শাখাইতি গ্রামের মাওলানা রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে হাবিবা আক্তার বাদী হয়ে তার স্বামী আতাউর রহমান, দেবর কামরুল, শ্বশুর আবুল কাশেম ও আবুল কালাম এবং ননদ সুচনা বেগমকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি যৌতুকের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি আতাউর ও তার স্বজনরা পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। আসামি গ্রেফতার করে থানায় নেওয়ার সময় আসামির স্বজন ও গনিপুর গ্রামের কিছু লোক পুলিশের ওপর হামলা করে মূল আসামি আতাউরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করে। আসামি ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মসজিদের ইমাম হয়েও যৌতুকের জন্য আতাউর তার স্ত্রীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। এ নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার সামাজিক সালিশও হয়েছে কিন্তু বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি।’
উল্লেখ্য, মামলায় উল্লেখ করা হয়, হাবিবার দেবর কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর জন্য নগদ তিন লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে চাপ প্রয়োগ করছিল শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় হাবিবা আক্তারের ওপর নির্যাতন চালানো হয়।