বগুড়ায় গত ২-৩ দিন ধরে প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হওয়ায় জমিতে থাকা ইরি-বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে, নন্দীগ্রাম উপজেলায়। এ অবস্থা বিরাজ করলে ঘরে ঠিক মতো ধান তুলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে চিন্তিত।
জানা যায়, এ নিয়ে এখানে ৪ দফা ঝড়-বৃষ্টি হলো। নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত পরিদর্শন করেছেন। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য তারা কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে আর কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শেষে কৃষকরা ভালোভাবেই ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে ২০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৫