খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন দুই বেয়াই সুলতান মাহমুদ পিন্টু ও শেখ সেলিম আহমেদ। দু’জনই প্রধান দু’টি দল সমর্থিত প্রার্থী। পিন্টু বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবং সেলিম আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী।
এ ব্যাপারে সেলিম আহমেদ জানান, তার ছোট ভাই ফিরোজ আহমেদের বড় শ্যালক হচ্ছেন পিন্টু। আবার সম্পর্কে তার বড় ছেলে খালেদ আহমেদের ভায়রাও হন পিন্টু। নির্বাচনে তারা ২০১৩ সালেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। হেরে যাওয়ার পরও তিনি জনগণের পাশেই থেকেছেন। তারই সুফল এবার নির্বাচনে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি। কিন্তু পিন্টু জনতার রায় মানতে রাজি নয়, তাই সে নানা ষড়যন্ত্র করছে।
সুলতান মাহমুদ পিন্টু জানান, সেলিমের সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এলাকার জনগণের সঙ্গে তার রয়েছে হৃদ্যতার সম্পর্ক। তাই নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থী সেলিম এবার মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে কোন মূল্যেই বিজয় ছিনিয়ে নিতে চান। জনতা সকল ষড়যন্ত্র রুখতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, পিন্টুর নামে গত ৫ বছরে ৩টি মামলা হয়েছে। দু’টি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। তিনি বিএসএস পাস। অন্যদিকে সেলিম আহমদের পেশা ঠিকাদারি ও কৃষি কাজ। তিনি এসএসসি পাস। ২০১৩ সালের ১৫ জুনের নির্বাচনেও পিন্টু এবং সেলিমের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। পিন্টু বিজয়ী হন আর সেলিম হন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। এ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটাররা মনে করছেন। এ ওয়ার্ডে ৩ জন প্রার্থীর অপর হচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রহমান।