অর্থ আত্মসাৎ মামলায় কমার্স ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে

কারাগার

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রাষ্ট্রায়াত্ত কমার্স ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম ওসমান গনি এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাবলু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কারাগারে পাঠানো ব্যাংক কর্মকর্তার নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি কমার্স ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার অফিসার (ক্যাশ) ছিলেন। মামলা দায়ের হওয়ার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

কাজী সানোয়ার আহমেদ লাবলু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুদকের দায়ের করা মামলায় মনিরুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আজ (২৯ আগস্ট) শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’

২ কোটি ১৯ লাখ ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ জুলাই মনিরুল ইসলামসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফানাফিল্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামি হলেন কমার্স ব্যাংক খাতুনগঞ্জ শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার মঈন উদ্দিন আহমেদ।

২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ২০১৫ সালের ১ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই দুর্নীতির ঘটনা ঘটে।

মামলার এজহারে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই মঈন উদ্দিন আহমেদ কমার্স ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখায় এক্সিকিউটিভ অফিসার পদে যোগ দেন। এরপর থেকে মঈন উদ্দিন আহমেদের পাসওয়ার্ডে ওই ব্যাংকের লেনদেন হতো। এই সুযোগে দুই কর্মকর্তা এক হিসাবের টাকা আরেক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে ৩৯ জন গ্রাহকের ২ কোটি ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা সরিয়ে নেন। ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ কয়েকজন গ্রাহক টাকা উত্তোলন করতে গেলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। তখন গ্রাহকেরা ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে এ ঘটনায় তদন্তে নামে দুদক। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয় প্রমাণিত হওয়ায় এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।