নিহত আরজিনা ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পুর্ব খড়িবাড়ী গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে। দুপুরে হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে বলে জানান ওসি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত আরজিনার ১৪ বছর আগে বাবুরহাট গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের পরিবারে মনির হোসেন (১২) ও জাহিমা বেগম (৬) নামের দুটি সন্তান রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে আরজিনার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে স্বামীসহ শ্বশুড় বাড়ির লোকজন তাকে মারপিট করে। সারারাত নির্যাতনের ফলে তার মৃত্যু হলে সকালে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তির চেষ্টা করে তারা। এসময় চিকিৎসক দেখতে পান আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হলে লাশ হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে স্বামীসহ আরজিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়।
নিহতের মা সালেহা বেগম (৬৫) অভিযোগ করেন, ‘তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ দুপুরে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।’
ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লাশের ময়নাতদন্ত শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন করা হবে। এখনও কোনও অভিযোগ করেনি নিহতের পরিবার।’