কুড়িগ্রামে দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ৪ জন রিমান্ডে

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের বিসিক শিল্প এলাকা থেকে দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক হওয়া ৪ জনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রওশন কবির এ খবর নিশ্চিত করেন।

রিমান্ডে নেওয়া চার জন হলেন– কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার কৃষ্ণপুর দক্ষিণ ডাকুয়া পাড়া গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে মুকুল মিয়া (৩২), একই গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে সবুজ মিয়া (৩০), সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধুলাউরা গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে মমিন মিয়া এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব কল্যান ভোগরাম এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সাজু মিয়া (২৯)।

ওসি মো. রওশন কবির বলেন, ‘আজ দুপুরে আটককৃতদের কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

এদিকে, ওই দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আমিন উদ্দিন আহমেদ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বৃহস্পতিবার  (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা আমিন বাজার ক্যাতার মোড় নামক স্থানে সমবেত হন। পরে তারা কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কে অবস্থান নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন।

গত বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কুড়িগ্রামের বিসিক শিল্প এলাকায় রেললাইনের পাশে নালিয়ার দোলায় একটি পরিত্যক্ত সেচপাম্প ঘরের পাশ থেকে জাহাঙ্গীর আলম (১৬) ও সেলিনা (১৪) নামের ওই দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জাহাঙ্গীর আলম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের নাগদার পাড় গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে ও কুড়িগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির ছাত্র এবং সেলিনা কুড়িগ্রাম পৌরসভার ডাকুয়াপাড়া গ্রামের জাবেদ আলীর কন্যা ও আমিন উদ্দিন আহমেদ দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।