বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামারখন্দ সার্কেল অফিসের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আতোয়ার রহমান। তিনি বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারী গ্রামবাসীর স্বাক্ষ্য ও জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্তকারী ওই কর্মকর্তা রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বারাকান্দি গ্রামের অধিবাসী রেহানা খাতুন, ইতি খাতুন, আসমা বেগম, শাহনাজ পারভীন, মাহমুদা খাতুন, রুবিয়া খাতুন, নাসিমা খাতুন ও আব্দুল হাফিজসহ ৮ জন ভুক্তভোগীর জবানবন্দি ও স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।
এদিকে, জবানবন্দি ও স্বাক্ষী দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় উপ পরিদর্শক আশফাক ভুক্তভোগীদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বাক্ষীরা তাৎক্ষণিক বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি আশফাককে সতর্ক করেন বলেও জানা গেছে।
তবে ভুক্তভোগীদের হুমকি প্রদানের বিষয়ে অভিযুক্ত উপ পরিদর্শক আশফাকুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে কথা বলে সম্ভব হয়নি।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবাইদা খান বলেন, বারাকান্দি গ্রামবাসীর ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগের তদন্ত চলছে। তবে উপ পরিদর্শক আশফাকের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রামবাসীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগটি হয়তো সঠিক নয়।
উল্লেখ্য, ঈদুল আজহার আগে এক মেয়েকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় বারাকান্দি ও পার্শ্ববর্তী ধলেশ্বর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় কামারখন্দ থানার এক পুলিশ সদস্যও লাঞ্ছিত হন। ওই ঘটনায় পুলিশ ও উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫টি মামলা হয়। গত ২৬ আগস্ট রাতে মামলার আসামি ধরার নামে দারোগা আশফাকের নেতৃত্বে বারাকান্দি গ্রামে পুলিশি তাণ্ডবের অভিযোগ উঠে। বারাকান্দির নিরীহ গ্রামবাসীদের ওপর চরম নির্যাতন ও নারীদের মারপিট এবং বাড়িঘর ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসী।