ওসি কওসিক আহম্মেদ জানান, জামায়াত নেতা আজাদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে ২০টি মামলা রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকার নেতৃত্বে একদল আওয়ামী ও জামায়াত সমর্থক তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা হাতকড়াসহ জামায়াত নেতা আজাদকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। জামায়াত নেতা আজাদ ওই আওয়ামী লীগ নেতা খোকার নিকট আত্মীয় এবং তাদের বাড়িতেই দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
আজাদকে পুনরায় গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িত কাউকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান তিনি।
তবে এ ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কয়রা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকা। তিনি দাবি করেন, ‘বাবার কুলখানি অনুষ্ঠানে ৫০০০ লোককে দাওয়াত করা হয়। অনুষ্ঠানে সব দলেরই লোকজন ছিল। শত শত লোকজনের মধ্যে কে বা কারা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়, বিষয়টি আমি দেখিনি। যারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তারা কোন দলের সে বিষয়টিও আমি নিশ্চিত নই।’