সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবছর হবিগঞ্জে ৫২৬টি পূজা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। প্রতিটি মণ্ডপেই মূর্তিগুলোকে রং তুলি দিয়ে সাজানো হচ্ছে। কারিগররা দিনরাত কাজ করে মূর্তি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঢাকের কাঠিতে ঢোল বেজে উঠলেই ষষ্ঠীপূজার মধ্যদিয়ে আগামী ১৯ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হবে।
একই এলাকার কারিগর নিরেন্দ্র পাল জানান, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করেও কাজ শেষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঠিকমতো খাওয়ারও সময় নেই; শুধু কাজ আর কাজ। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘অনেক জায়গায় মাটির কাজ শেষ হয়েছে, রং তুলির কাজ করতে হবে। আবার অনেক স্থানে রং তুলির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’
কারিগর মিশু সরকার বলেন, ‘শুধু হবিগঞ্জে নয় আমাদের কাজ সিলেট মৌলভীবাজারেও রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই অন্যান্য স্থানে কাজ শেষ করতে হবে। যে কারণে কিছুটা টেনশনে আছি, কীভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবো তা নিয়ে। তবে অনন্দের মধ্যদিয়েই কাজ করছি।’
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ জানান, এবারের পূজায় তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি আয়োজক কমিটির স্বেচ্ছাসেবক ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। আশা করি, সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি নাশকতার চেষ্টা করে তাহলে পুলিশ অবশ্যই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’