পাঁচ দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা করে। পাঁচ দিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৮ টাকা থেকে ২১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে ৮ দিন বন্ধের পর ২১ অক্টোবর বন্দর দিয়ে ৫৩টি ট্রাকে এক হাজার ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, ২২ অক্টোবর ৫২টি ট্রাকে এক হাজার ৪০টন, ২৩ অক্টোবর ৪৬টি ট্রাকে ৯২০ টন, ২৪ অক্টোবর ৬০টি ট্রাকে এক হাজার ২০০ টন, ২৫ অক্টোবর ৫২টি ট্রাকে এক হাজার ৪০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এভাবে গত ৫ দিনে বন্দর দিয়ে ২৬৩টি ট্রাকে ৫ হাজার ২৬০টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে- বন্দর দিয়ে নাসিক, ইন্দোর, বেলোরি জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আমদানি করা এসব জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রকারভেদে ১৮ টাকা থেকে ২১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঁচ দিন আগে এসব পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের পাইকারি দাম কমায় এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। বাজারে বর্তমানে আমদানি করা পেঁয়াজ খুচরাতে প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঁচ দিন আগে এসব পেঁয়াজ ২৫ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর দেশীয় জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ১৩ অক্টোবর শনিবার থেকে ২০ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত টানা ৮ দিন দুদেশের মাঝে পণ্য আমদানি রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে করে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ কমার কারণে পেঁয়াজের দাম খানিকটা বেড়ে গিয়েছিল। পূজার ছুটি শেষে আবারও বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বাণিজ্য শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। পাঁচ দিন পূর্বে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৩ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৮ টাকা থেকে ২১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।