ওসি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবিতে লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থান ধর্মঘট

তিন দফা দাবিতে লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থান ধর্মঘটটাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী কালিহাতী থানার ওসির প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে নেমেছেন। রবিবার (১৬ ডিসেম্বর) উপজেলার গোহালিয়া ইউনিয়নের সড়াতৈল এলাকায় নির্বাচনি প্রচারের সময় তার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা ও চারটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসের সামনে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

তার তিন ৩ দফা দাবিগুলো হলো- কালিহাতী থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেনকে প্রত্যাহার, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং  ধরনের হামলার ঘটনা আর যেন না ঘটে সেজন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীকে লিখিত দিতে হবে।

তিন দফা দাবিতে লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থান ধর্মঘটলতিফ সিদ্দিকী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। 

লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন। এতে আশ্বস্ত হয়ে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি, এটা তার গণতান্ত্রিক অধিকার। হাসান ইমামের ইন্ধনে আমার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে হাসান ইমামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য খন্দকার আব্দুল মাতিন বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে হাসান ইমামকে ফাঁসানোর জন্য লতিফ সিদ্দিকী ষড়যন্ত্র করছেন। হাসান ইমামের কোনও সমর্থক লতিফ সিদ্দিকীর গাড়িবহরে হামলা চালায়নি।’ 

ভাঙচুর হওয়া লতিফ সিদ্দিকীর গাড়িতিনি আরও বলেন, লতিফ সিদ্দিকী মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৭ হাজার একর জমি কিনেছিলেন। সেই জমির টাকা সাধারণ মানুষ এখনও তার কাছে পায়। ওইদিন লতিফ সিদ্দিকী ভোট চাইতে গেলে সাধারণ মানুষ তার কাছে টাকা চাইলে তিনি টাকা না দেওয়ায় সাধারণ মানুষ তার গাড়িতে হামলা করে। 

জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।