এর আগে শনিবার ভোরে পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি রাখাল আসাদুল হক নিহত হন। নিহত আসাদুল হক বাউরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান কদমার ছেলে। তার স্ত্রী সোনালী বেগম ও দুই সন্তান রয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে বাউরা সীমান্তের মেইন পিলার ৮০২ নম্বর এলাকার সানিয়াজান বেইলী ব্রিজের নিচ দিয়ে একদল গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে বিএসএফ টহল দলের মুখে পড়ে। এসময় বিএসএফ দুই রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আসাদুল হক। অন্যরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। নিহতের মরদেহ ভারতীয় নিউ কুচলিবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এসময় রংপুর-৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ঠ্যাংঝারা কোম্পানি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম ও ভারতীয় কুচবিহার-১৪৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নিউ কুচলিবাড়ী কোম্পানি কমান্ডার এসি দীপক জশোয়াল উপস্থিত ছিলেন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী নিহত আসাদুল হকের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।