নিহত মোসলেহ উদ্দিন কুশাখালি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদ পাটওয়ারীর ভাই ও নোয়াখালির আন্ডারচরের চৌধুরী বাজারের গরুর মাংস ব্যবসায়ী।আহতরা হলেন, নিহতের বাবা দুদু পাটওয়ারী, মা আয়েশা বেগম, ভাই মিলন হোসেন ও ছেলে আরমান হোসেন। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোসলেহ উদ্দিন নোয়াখালির চৌধুরী বাজার থেকে রাতে মোটরসাইকেলে চড়ে লক্ষ্মীপুরে ঝাউডগির বাড়িতে এসেছেন। বাড়িতে আগেই ডাকাতদল প্রবেশ করে। ডাকাত দেখে বাধা দিতে গেলে তাকে গুলি করা হয় এবং তার বাবা, মা, ভাই ও ছেলেকে পিটিয়ে আহত করে ডাকাতরা। এসময় বাড়ি থেকে ৪টি গরু ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোসলেহ উদ্দিন ও আহতদের সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। মোসলেহ উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নোয়াখালি জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
কুশাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, ডাকাতের গুলিতে মোসলেহ উদ্দিন নিহত হয়েছেন। তার বাবা-মাসহ কয়েকজন বেঁধে পিটিয়েছে ডাকাতরা। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।