প্রতিমন্ত্রী জানান, ঈদের দিন সকালে তিনি সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। এরপর চলে যাবেন গ্রামের বাড়ি বোঁচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলায়। সারাদিনের সময়টুকু তিনি বেঁধে রেখেছেন জনগণ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের জন্য। নেতাকর্মী ও সাধারণ লোকজনের সঙ্গে বাড়িতেই কুশল বিনিময়, ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ঈদের পরের দিন ঢাকায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে তার।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, ঈদের সময়টুকুর মধ্যেই তিনি মানুষজনের মাঝে জাকাতের কাপড় ও ফেতরা প্রদান করবেন। । তিনি বলেন, ‘আমার বাবা রৌফ চৌধুরীর দাদা খালাস উদ্দিন চৌধুরী স্থানীয়দের জন্য ৫০০ বিঘা জমি ও স্থাপনা দান করে গেছেন। এটি খালাসউদ্দিন চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট নামে চলছে। এখানে যা আয় হয় তা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দিরে সহায়তা করা হয় এবং স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সহযোগিতার কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ঈদেই এখানকার আয়ের অর্থ গরিব ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিলি করা হয় যাতে করে তাদের আনন্দ বাড়ে ও ঈদ উৎসবমুখর হয়। এছাড়াও এই জমির মধ্যেই গড়ে উঠেছে ঈদগাহ ময়দান, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ওইসব প্রতিষ্ঠানের নামে জমি একেবারেই দান করে দেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন-
আমাদের ব্যক্তিগত ঈদ বলে কিছু নেই: নওফেল