শুক্রবার পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। জমি পাওয়া সাপেক্ষে অবশিষ্ট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলির নির্মাণ কাজও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।’
মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সব মৃত মুক্তিযোদ্ধার জন্য একই ডিজাইনের কবর তৈরি করা হবে যাতে কবর দেখেই সবাই বুঝতে পারেন এটা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর।’
তিনি বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহজে চিহ্নিত করার সুবিধার্থে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।’
পাবনার জেলা প্রশাসক কবির আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম, পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকরাম আলী খান, ঈশ্বরদী পৌর মেয়র নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বেড়া পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাতেন, সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
এর আগে মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দাফতরিক কাজ অধিকতর সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট তিনতলা আটঘরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। সূত্র: বাসস।