ডা. সেলিম আকতার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানোর পর নগরবাসী অনেক সচেতন হয়েছেন। প্রতিদিন অনেক মানুষ রক্ত পরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে আসছেন। তাদের মধ্যে যাদের রক্ত পরীক্ষা করা দরকার শুধু তাদেরকেই রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে।’
চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান বলেন, গত ১৩ জুলাই ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার রোধে নগরীতে মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ ছিটানোর ক্রাস প্রোগ্রাম চালু করে সিটি করপোরেশন।
এর আগে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করলে প্রথমে সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করে চসিক। ডেঙ্গু প্রতিরোধে গত ১৩ জুলাই নগরীতে মশক নিধন কর্মসূচি শুরু করা হয়। পরে করপোরেশনের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নগরবাসীকে সচেতন করা হয়।