ডিআইজি আরও বলেন, ‘প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা-উত্তরাঞ্চলের যাত্রীরা মহাসড়ক দিয়ে এবার যাতে নির্বিঘ্নে যেতে পারেন সেজন্য পুলিশ সবসময় তৎপর থাকবে।’ ঈদের আগে যানবাহনে পরিবহন সংগঠনের নামে চাঁদাবাজির বিষয়ে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনও ধরনের অবৈধ চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। এসব চাঁদাবাজির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সেতুর উভয় পাড়ের পুলিশ সুপারদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ তিনি সেতুর পশ্চিম পাড়ে মহাসড়কে মেরামত ও সংস্কার কাজ ঈদের আগেই শেষ করতে সওজ প্রকৌশলীদের বিশেষ অনুরোধ জানান।
এ সময়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী, সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম পিকে, বগুড়া পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুইয়া, হাইওয়ে পুলিশের বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, হাটিকুমরুল মোড়ের অদূরে জেলার ঢাকা-রাজশাহী ও বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে গত রোজার ঈদের আগে সওজ থেকে ২৫ কোটি ব্যয়ে মেরামত ও সংস্কার কাজ করা হয়। কিন্তু তিন মাস না যেতেই সেসব উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে ফের সওজ মেরামত কাজ শুরু করায় সেতুর পশ্চিম পাড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদের আগেই এসব খানাখন্দ মেরামত শেষ না করা হলে ঈদে ঘরমুখো মানুষের বড় ধরনের দুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে।